দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

২০২৬ বিশ্বকাপই হতে পারে লিওনেল মেসির শেষ বৈশ্বিক আসর। তাই অধিনায়কের বিদায়কে স্মরণীয় করে তুলতে মাঠে ‘জীবন বাজি রেখে’ লড়াই করার অঙ্গীকার করেছেন আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার ফাকুন্দো মেদিনা।
ফিফার ওয়েবসাইটকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মেদিনা বলেন, ‘আমাদের সামনে এখন ছয়টি ফাইনাল। প্রতিটি ম্যাচে সর্বোচ্চটা দিয়ে লড়ব। অধিনায়কের বিদায়টা যেন সবচেয়ে সুন্দরভাবে হয়, সে জন্য মাঠে জীবন বাজি রেখে খেলব। অবশ্যই চাই তিনি আরও খেলুন। তবে আমরা জানি, প্রতিটি ম্যাচে নিজেদের উজাড় করে দিতে হবে।’
বাম প্রান্তের নিয়মিত ডিফেন্ডার নিকোলাস তাগলিয়াফিকো চোটে পড়ায় বিশ্বকাপের প্রথম দুই ম্যাচে শুরুর একাদশে সুযোগ পান মেদিনা। তবে সতীর্থের দুর্ভাগ্যের কারণে সুযোগ পাওয়ায় মিশ্র অনুভূতির কথাও জানান তিনি।
মেদিনা বলেন, ‘খেলার সুযোগ পেয়ে অবশ্যই ভালো লাগছে। কিন্তু আমি এভাবে সুযোগ চাইনি। নিকো চোট পেয়েছে, যাকে আমি খুবই সম্মান করি। তার সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। এখন কোচিং স্টাফ যে সিদ্ধান্তই নিক, আমরা সবাই প্রস্তুত। দলের ফল ভালো হচ্ছে, অধিনায়কও দারুণ খেলছেন। এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ে মেসির প্রথম গোলের আগে বাঁ দিক থেকে দারুণ একটি পাস দিয়েছিলেন মেদিনা। ম্যাচ শেষে মেসি মজা করে সেই অ্যাসিস্টের সঙ্গে বার্সেলোনায় জর্দি আলবার অসংখ্য অ্যাসিস্টের তুলনা করেছিলেন। তবে বিষয়টি হালকাভাবেই নিয়েছেন এই ডিফেন্ডার।
তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, মেসি একটু বাড়িয়েই বলেছেন। তিনি হয়তো জর্দি আলবার সঙ্গে পুরোনো দিনের কথা মনে করেছিলেন। আমি শুধু মাঠে নিজের সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করি।’
বিশ্বকাপের ২৬ সদস্যের দলে জায়গা পাওয়ার পথটা সহজ ছিল না বলেও জানান অলিম্পিক মার্সেইয়ের এই ফুটবলার।
মেদিনা বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে বছরটা কঠিন ছিল। কিন্তু আমি কখনো লক্ষ্য থেকে সরে যাইনি। কঠোর পরিশ্রম করে গেছি।’
সাক্ষাৎকারের শেষদিকে নিজের শৈশবের স্মৃতিও তুলে ধরেন তিনি। আর্জেন্টিনার ভিয়া ফিওরিতো এলাকায় বেড়ে ওঠা মেদিনা বলেন, ‘আমার মা ও পরিবারের মানুষ অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন। তারা সবসময় আমাকে সঠিক পথে রাখার চেষ্টা করেছেন। আমি সবসময় আমার এলাকার প্রতিনিধিত্ব করতে চাই। ভিয়া ফিওরিতো মানেই দিয়েগো ম্যারাডোনা। তিনি যা সৃষ্টি করেছেন, আজও সেটাই আমাদের অনুপ্রাণিত করে।’
এমএস/